You are nothing after your death !

Milky, a Dhaka city AL leader died last year in the eve of Eid ul Fitr on a busy city road in front of many people leaving live video record of a popular shopping mall. What a powerful leader he was ! He ruled a million dollar valued era of the govt.

The point is, after his death, he is nothing but a story among the killers and bandits around the country. In his life he must have done so many actions silently what we never knew of. He controlled the city leaders, MPs and Ministers from outside of Dhaka for sure.

Now, the leaders want to forget someone served the party Milky by name. They even do not want to lose any living heroes now. So, we see such news ………. http://www.rtnn.net//newsdetail/detail/1/3/84147


ঢাকা: যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কি হত্যা মামলা নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার অভিযোগপত্রে বাদীর করা নারাজি আবেদনের ওপর শুনানি করে মঙ্গলবার এই আদেশ দেন মহানগর হাকিম তারেক মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়া।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ মনসুর রিপন জানান, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এএসপির নিচে নন- এমন পদমর্যাদার কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলা পুনরায় তদন্ত করে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার বাদী নিহত মিল্কির ভাই মেজর রাশেদুল হক খান।

তিনি নিজে এবং তার আইনজীবীরা আদালতে মামলার পুনঃতদন্ত চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন। বাদীপক্ষের আরেক আইনজীবী শাহজামান ফিরোজ তুহিনও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

হত্যা মামলার মূল সাত আসামিকে বাদ দেয়া হয়েছে- এমন দাবি তুলে র্যা্বের দেয়া অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে গত ৬ জুন আইনজীবীর মাধ্যমে নারাজি আবেদন দেন মেজর রাশেদ।

মেজর রাশেদ নারাজি আবেদনে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া আসামিদের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে সিআইডির মাধ্যমে তদন্তও চান।

জাহিদুল ইসলাম টিপু, ওয়াহিদুল আলম আরিফ, আহকাম উল্লাহ, আমিনুল এহসান বাবু ওরফে টমেটো বাবু ওরফে ডিশ বাবু, মাহবুবুল হক হিরক, এনামুল হক ও মাসুম উদ্দিন আহমেদের বিষয়ে সিআইডির মাধ্যমে অতিরিক্ত তদন্ত করে তাদের নাম অভিযোগপত্রে যুক্ত করার আবেদন করেন বাদী।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ জুলাই রাত ১টার দিকে গুলশানের শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে ঢাকা মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্কিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার সঙ্গে জড়িতরাও আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী।

ওই বিপণিবিতানের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওচিত্র দেখে ‘মূল’ হত্যাকারী হিসেবে যুবলীগ নেতা এইচ এম জাহিদ সিদ্দিক তারেককে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তারেক গ্রেপ্তার হওয়ার পর খিলক্ষেতে র্যািবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন বলে দাবি করা হয়।

মিল্কি হত্যার ঘটনায় গুলশান থানায় একটি মামলা করেন তার ভাই মেজর রাশিদুল হক খান। এতে তারেকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

গত ১৫ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যা্ব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. কাজেমুর রশীদ ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s