সাগরের বিনিময়ে দিলাম ছাড়িয়া জঙ্গল আর আর নিজ ভূম !

আমরা এক বিশাল সাগর লাভ করিলাম মাত্র গতকাল। বিনিময়ে কিছু মাত্র অলিক (আদালতের হিসেবে মানচিত্রে নাই বা ছিল তার প্রমান নাই ) কিছু ভুমি বা ভবিষ্যতে স্থল হয়ে উঠার মতন কিছু গাতা গর্ত ছাড়িলাম। আসলে আমরা বিজয়ী ! হাহ হাহ হাহ।
আমরা বার্মার কাছে আমাদের ভাইয়ের লাশ পাইলাম বিনিময়ে তাহারা মাফ চাহিয়াছে করজোড়ে।

তালপট্টি তলাইয়া গিয়াছে তাহা আবার জাগিতে পারে, আজ সুন্দরবন বন আছে সামনে থাকিবে তার কি বিশ্বাস, আমরাতো বিস্তার লাগ করিলাম তাই না। আমরা কিনিয়া আনিয়া ব্যান্ডউইথ ভারতকে দিব (কারন শুধু বাংলাদেশই তো ইহা উতপাদন করে আর কী বিক্রি পর্জন্ত করেনা), গ্যাস তুলিয়া ইন্ডিয়াকে দিব, বিদ্যুৎ উৎপাদন করিয়া ইন্ডিয়াকে দিব, রাস্তা করিয়া উহাদের গাড়ির রেস দিখিব এ আর বিস্ময়ের কি ? উহারা যে স্বাধীনতা দান করিল আমাদের ১৯৭১ সালে! (?)

বিশাল অর্জন এই সমুদ্র প্রাপ্তি, কিন্তু ঘরের জমি ১ শতক বেচিয়া দিয়া মাঠের জমি ১ বিঘা কিনিলাম কিসের তরে ? নীল আবাদ করিয়া দাদাদের ঘরে তুলিয়া দিবার জন্য নয়তো ?

যা হোক নতুন আর বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন এমন একটা সময়ে ক্ষমতায় অবস্থানের জন্য যখন এই রায়ের সময় আপনা আপনিই ঘনাইয়া আসিয়াছে। আর সেতু না করিয়াও উদ্বোধনের সময় উপস্থিত থাকিয়া নিজেদের অসিম কির্তির কৃতিত্ব হাসিল করার মতন একটা মওকা পেলে আমিও আমার ঘরের উপঅ

বাংলাদেশের ই-কমার্সের বিস্তার আর প্রচার দেখে হতবাক হয়ে যাই – মনে হয় নিজেরেই আপাতত বিক্রি করে ফেলি, পরে কিনে নেয়া যাবেনে আবার!

কত নাম ধাম আর রঙ ঢঙ নিয়ে যে শুরু হল বাংলাদেশের ই-কমার্স বিপ্লব ! বিজ্ঞাপন দেখলে মনে হয় আপাতত নিজেকে ভাল দামে বেচে দেই পরে আবার সুযোগ মতন বেশি লাভে কিনে নেয়া যাবেনে।
সারা দুনিয়ার ই-কমার্সে দেখি ক্রেতার মূল্য দুর্মুল্যের পর্জায়ে, কিন্তু আমাদের দেশে বিক্রেতাই মুখ্য-ক্রেতারা পাচ্য বস্তু মাত্র। যা হোক আমি ই-কমার্সের প্রসারের আশায় আমি এক খুদ্র শুভাকাঙ্ক্ষী ।

আমি ভাল থাকতে চাই। সবাইকে নিয়ে আর সবাইকে ছেড়ে ভাল থাকতে চাই।

কেন জানি আবারো পুরানো দিনের সব ব্যার্থতার স্মৃতিগুলো ফিরে ফিরে আসছে আর নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছি আমি। তবে নিয়ন্ত্রন আমি কোন দিনই নিজেকে করতে চাইনি, চেয়েছি শুধু আমার আমি যেন তার পরিবার, গুরুজন, শিক্ষা আর ধর্ম দিয়ে পরিচালিত হয়। কখনোই নিজের মতন করে চলতে চাইনি। নিয়মের মধ্যেই নিয়ম গড়ে নিয়েছে মন।
তবে আমি ভাল থাকতে চাই। সবাইকে নিয়ে আর সবাইকে ছেড়ে ভাল থাকতে চাই। যাদের দিতে পারছিনা বা যাদের জন্য সমস্যার কারণ তাদের ছেড়ে ভাল থাকতে চাই। তবে তাদের ভাল থাকা নিশ্চিত করেই তবে আমি ভাল থাকতে চাই।
বিশাল একটা ঋনের বোঝা নিয়ে বেড়াচ্ছি- এটা শেষ হলেই মুক্তি হত মনে হচ্ছে। অন্তত তিন জনকে ভাল থাকতে দিতে পারব সেটা শোধ হয়ে গেলে।

ব্যাংকে চাকুরী করে উপার্জিত সকল অর্থই কি হারাম হবে?

Hope everyone understands the Shaiah perfectly.

প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) ব্যাংকে চাকুরী করে উপার্জিত সকল অর্থই কি হারাম হবে?

-মাইদুল হোসাইন

চাঁদকুঠি আঠারদোন, রংপুর সদর।
http://www.at-tahreek.com/july2014/qa_17_10_25.html

উত্তর : সূদী ব্যাংকের বিষয়টি স্পষ্ট। ইসলামী ব্যাংকগুলিও সূদমুক্ত নয়। তাই উভয়টি থেকে দূরে থাকা আবশ্যক। আল্লাহ তা‘আলা সূদকে হারাম করেছেন এবং সূদখোরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন (বাক্বারাহ ২/২৭৮-৭৯)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, সূদগ্রহীতা, সূদ দাতা, সূদের দলীল লেখক এবং সূদের সাক্ষী সকলের উপর আল্লাহর লা‘নত। আর (পাপের দিক দিয়ে) তারা সকলে সমান (মুসলিম হা/১৫৯৮, মিশকাত হা/২৮০৭)। অতএব সূদী ব্যাংকে চাকুরীজীবি সূদ ভক্ষণকারীর ন্যায় পাপী হবে এবং তার যাবতীয় উপার্জন হারাম হবে। কিয়ামতের দিন পাপীদের কৃতকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, আর আমরা তাদের কৃতকর্মসমূহের দিকে অগ্রসর হব। অতঃপর সেগুলিকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করব’ (ফুরক্বান ২৫/২৩)।

ইসলাম ধর্ম ও ধর্মাবলম্বিদের দিকে ঝুঁকছে, নাস্তিক, ইসলাম বিরোধী এবং বিদ্বেষীরা !

আজকের সকালেই মনটা একটু ভালো হয়ে গেলো – প্রথম আলোর মতন Daily Star ও ইসলাম ধর্মের দিকে ঝুঁকছে বা আমাদের তৈল মর্দন শুরু করেছে। এই দুটি পত্রিকার নামেই ইসলামকে কটাক্ষ করার অভিযোগ আছে খুব জোরালো রকমের।
Daily Star এর গতকালের ম্যাগাজিনের কভারটা @ www.thedailystar.net/the-star আমার কাছে অনেক কিছু অর্থ করলো- মুসলমানদের জেগে উঠা, দাবি আদায়ের দিকে এগিয়ে যাওয়া, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দুনিয়াব্যাপি তরতর করে বেড়ে উঠা, bla bla bla……. তাছাড়া, আমাদের প্রধানমন্ত্রী মশাই কিছুদিন আগেই দ্বীনদার বান্দার পরিচয় দিয়ে সকল বিদ্যালয়ে টানা এক মাসের ছুটির পর আবার রমজানের জন্য আরও এক মাসের ছুটির ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন।

তবে অবাক হচ্ছি, ইসলাম ধর্ম বিদ্বেষী লোক, দল, পক্ষ, দেশগুলো কিছু একটা জানতে, বুঝতে বা দেখতে পেরেছে যার জন্য এত মরিয়া হয়ে উঠতে চাচ্ছে ? কিন্তু আমরা মুসলমানেরা কেন কিছু দেখতে পাচ্ছিনা।

আমার চাওয়া – আল্লাহ সবাইকে ইসলামের আলোর নিচে আনুন আর সুন্দর ভাবে জীবনযাপন করে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করে দুনিয়াকে সুন্দর করুক ছড়িয়ে পড়ুক ইসলামের সুবাতাস।

Digitally Deviced Newspaper to come very soon

I feel it is becoming a must for the newspaper industry moving towards inventing something that should be in a digital device mood. The papers should bring their publications through “One Time Digital Medium Validating Device For One Day Only”. In such newspapers, videos will embedded there for one day showing without any connectivity requirement or extra costing.

If I could contact Google, I would suggest them to find something to bring such DEGITAL DEVICED NEWSPAPER.

Today, while I was reading newspaper, Messi’s skill showing picture was set on the top page to show how powerful he was at the game against Switzerland in world cup 2014 round of 16.